Sunday , December 4 2016
সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ
হোম / তথ্য-প্রযুক্তি / পর্ণফিল্ম শ্যুটিং-এর ওপারে কি হয় জানেন? সাহস আছে জানার?

পর্ণফিল্ম শ্যুটিং-এর ওপারে কি হয় জানেন? সাহস আছে জানার?

লুকিয়ে চুরিয়ে পর্ণফিল্ম দেখেন না, এমন মানুষের সংখ্যা একটু কমের দিকে বলাই যায়৷ আর এই নীলছবি যেন বয়সের ধার ধারে না৷ মোহময়ীদের ছবি একটু হলেও নিষিদ্ধ পথে পা বাড়াতে উস্কে দেয় অনেকসময়৷ তাঁদের রুপ-যৌবন-ক্রিয়াকর্ম যেন সর্বক্ষণ তাঁদের দিকে টানতে থাকে৷ কি ভুল বললাম? তবে নীলছবির নায়িকাদের বাইরে থেকে যেরকম মনে হয়, ভেতর থেকে দেখতে ছবিটা কিন্তু একেবারেই সেরকম নয়৷ তাঁদের লাইফস্টাইল দেখলে বদলে যাবে আপনার চিন্তাধারা৷ জানতে চান তেমনই কিছু কষ্টের কথা?

১) কোটি কোটি মানুষের যৌনাকাঙ্খায় সাময়িক আনন্দ দেওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত এই নীল দুনিয়ার তারকারা৷ নীল ছবির চাহিদাই এই ছবির নায়ক নায়িকাদের বাধ্য করে আরও বেশি করে এই কাজ করতে৷ কিন্তু যে কাজটি একেবারেই ব্যক্তিগত একটি বিষয়, প্রতিমুহূর্তে লজ্জাকে জয় করে, দিনে বারবার বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে সেই কাজটিই করে যদি বিশ্ববাসীকে আনন্দ দিতে হয়, তার থেকে কষ্টের কি আর কিছু হতে পারে?

২) শুধু মহিলাই নয়, পুরুষের ক্ষেত্রেও এটি খুবই কষ্টসাধ্য কাজ৷ শট ওকে না হওয়া পর্যন্ত তাঁকেও ঘন্টার পর ঘন্টা একঘর লোকের সামনে সর্বশক্তিটুকু দিয়ে তৈরি করতে হয় একটি উত্তেজনাপূর্ণ ভিডিও৷

৩) যেভাবে ছবিতে কোনও আইটেম নম্বরের শ্যুটের আগে অনেকসময় নায়ক নায়িকারা খাবার খান না, নিজেকে স্লিম অ্যান্ড ট্রিম দেখানোর জন্য, তেমনই নীলছবির নায়িকারাও কিন্তু শ্যুট হওয়ার আগে থেকে শুরু করে কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত প্রায় কিছুই খান না৷ এমন ক্রিয়াকলাপের জন্য খালি পেট না থাকলে, শ্যুটিং-এর সময় শারীরিক দিক থেকেও সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে বলেই এমনটা করে থাকেন তাঁরা৷

৪) এই শ্যুটিং চলে ঘন্টার পর ঘন্টা৷ এক দিনে অনেক সময়ই একের পর এক ভিডিও শ্যুট করা হয়ে থাকে৷ তাই পর্নস্টারদের ফ্রেশ দেখানোর জন্য চলে ওষুধ খাওয়ানোর পর্বও৷

৫) ছবিতে কাজ করার আগে যেমন অডিশন দিতে হয়, তেমন পর্ণফিল্মে কাজ করার সুযোগ আসে অডিশন দিয়ে, তাতে সফল হলে, তবেই৷ আর সেই পর্ব বোধ হয় সবথেকে কঠিন৷ সঙ্গে এি কাজসংক্রান্ত আপনার অভিজ্ঞতা স্বরূপ একটি সিডি৷

৬) এই পেশায় জীবনের ঝুঁকি সর্বক্ষণ আপনাকে তাড়া করে বেড়াবে৷ এডস্ যখন তখন আপনাকে কব্জা করতে পারে৷ এমন ঘটনা যে ঘটেনি তা নয়, তবে এই পেশার ক্ষেত্রে মন সব ঘটনা সামনে এলে তাতে প্রভাব পড়বে, তাই এই সব রোগীদের কথা চেপে দেওয়া হয় গোড়াতেই৷ আর যদি একেবারে প্রাথমিক স্টেজে ধরা পড়ে এই রোগের কথা, তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে অনেকটাই সুস্থ করে তোলা হয় এদের৷

৭) অফিসে কাজ করতে করতে সাপ্তাহিক ছুটি কিম্বা ঘুরতে যাওয়ার ছুটি নেন না, এরকম বোধ হয় কেউই নেই৷ কিন্তু জানেন কি, এই পর্ণস্টারদের ছুটি পাওয়া বেশ দুষ্কর৷ শরীর অসুস্থ হোক বা মনমেজাজ বিগড়ে থাকুক, ছবির শ্যুট করতেই হয়৷ কখনও কখনও টানা সাত দিন পর্যন্ত চলে এই অকথ্য শ্যুটিং পর্ব৷

তবুও টাকার প্রয়োজনে, অথবা বাধ্য হয়ে, কিংবা নিছকই কৌতুহলের বশে যারা এই পেশায় ঢুকে পড়েছেন, তাঁরাই জানেন এর পেছনে কতটা কষ্ট লুকিয়ে রয়েছে৷ অথচ যাঁরা পর্ণফিল্ম দেখেন, তাঁরা একবারের জন্যও টের পান না, তাঁদের চাহিদাই কতটা চাপে ফেলছে এই নীল দুনিয়ার তারকাদের৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *