বাংলাদেশের চিনিশিল্পকে ধ্বংস করার জন্য ইন্ডিয়া ২৩টাকা কেজি ধরে চিনি ডুকিয়েছিল এই দেশে। তখন ২৫ থেকে ত্রিশ টাকা কেজির ইন্ডিয়ান চিনিতে বাজার সয়লাভ হয়ে গিয়েছিল।আর হাজার হাজার টন দেশি খাঁটি চিনি গুদামে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছিল।
আস্তে আস্তে দেশি চিনি শিল্প ধ্বংস হচ্ছে আর যে ইন্ডিয়া লোকসান দিয়ে ২৩ টাকা দরে চিনি ডুকিয়েছিল বাংলাদেশে তারা এখন সেই লোকসানের টাকা তো তুলছেই। অধিকন্তু কেজি প্রতি দ্বিগুন লাভ করে নিচ্ছে। কিছুদিন পর আসবে তিনগুন, চার গুন লাভ করার পালা।
দেশের সমস্ত শিল্পের উপরই চলছে ইন্ডিয়ান আগ্রাসন। স্বার্থপর রাজনীতিবিদদের কল্যানে দেশের বারোটা বাজিয়ে ইন্ডিয়ার স্বার্থ রক্ষা করছে। দেশের শিল্প, সম্ভাবনা,উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পুড়ছে।
যে পোল্ট্রি শিল্পের মাধ্যমে বেকার যুবকরা আশার আলো দেখতে শিখেছিল সেখানেও বার্ড ফ্লু আতংক ছড়িয়ে বার বার ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছে।সম্প্রতি শুরু হয়েছে, কম দামে ইন্ডিয়ান ডিম, মুরগি ডুকিয়ে দিয়ে দেশি শিল্পকে প্রতিযোগিতায় ফেলে ধ্বংস করা l
গো পালন শিল্প হতে পারত লাখো যুবকের মুখের হাসির কারন। শুধুমাত্র ইন্ডিয়ান গরুর চাপে সেটা সম্ভব হচ্ছেনা।ইন্ডিয়া তাদের গোমাতাকে এত ভালবাসে কিন্তু বাংলাদেশি যুবকেরা গো পালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বি হোক সেটা তারা সহ্য করতে পারেনা। গোমাতাকে আমাদের হাতে কোরবানির জন্য পাঠিয়ে দিচ্ছে।তবুও এদেশের যুবকদের মুখের হাসি তারা দেখতে চায়না।