আমরা ধর্ষক ও তার সহযোগীদের ফাসী চাই!!!

ছবিতে ফুটফুটে যে বাচ্চা দুটোকে দেখছেন তাদের কে খুন করা হয়েছে!

ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর ডেমরা থানার কোনাপাড়া, শাহজালাল রোডে!
সকাল থেকেই মাইকিং করা হচ্ছিলো দোলা(৭) এবং নুসরাত(৫) বছরের দুজন মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
.
অত্র এলাকায় সারাদিন খুঁজেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি অবশেষে যখন পাওয়া গেল, দুজনের কেউ ই আর বেঁচে নেই।
.
বাচ্চা দুটোকে পাওয়া গেছে দোলাদের পাশের বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে খাটের নিচে লেপে মোড়ানো অবস্থায়। ধারণা করা হচ্ছে দোলা ধর্ষণের সম্মুখীন হয়েছে।
.
দোলা এবং নুসরাত দুই পরিবারের কারো সাথেই খুনির ফ্ল্যাটের কারো পূর্ব শত্রুতা বা ঝগড়া ঝাটি ছিল না বলেই জানা যায়! তাহলে এত ছোট বাচ্চাদের খুন করার কারণ কি হতে পারে?
দোলার গায়ে কোন কাপড় পাওয়া যায়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে দোলা ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
.
সাত বছরের একটা বাচ্চা মেয়ের শরীরে কি এমন আছে তার প্রতি অনুভূতি জাগবার মতন?
এতো ছোট ছোট ফুলের মতন বাচ্চাকে কিভাবে খুন করতে পারে মানুষ?
পুলিশ আসামীর স্ত্রীকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেছে, আশা করছি আসামীও খুব শীঘ্রই ধরা পরবে।
.
দেশে প্রতিনিয়ত এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। দোলা এবং নুসরাত হত্যার কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি কামনা করছি, যাতে ভবিষ্যতে কোন বাচ্চা ধর্ষণ এবং খুনের সম্মুখীন না হয়।

( ছবিঃ লাল রঙের জামা পড়া মেয়েটি দোলা, বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছবিটি নুসরাতের। বিছানায় দোলা এবং নুসরাতের মৃত দেহ।)

খুনীদের দেয়া তথ্য থেকে জানা যায় যে: ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েই রাজধানীর ডেমরায় দুই শিশু নুসরাত জাহান ও ফারিয়া আকতার দোলাকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে আটক গোলাম মোস্তফা ও তার চাচাতো ভাই আজিজুল। বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারী বিভাগের উপ কমিশনার মো. ফরিদ উদ্দিন এতথ্য জানান। এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফা ও তার চাচাতো ভাই আজিজুলকে গ্রেফতার করা হয়। ডিসি ফরিদ উদ্দিন বলেন, দুই শিশুকে লিপস্টিক দিয়ে সাজানোর লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে যায় মোস্তফা ও আজিজুল। এরপর দরজা বন্ধ করে তারা প্রথমে মোস্তফার লিপস্টিক দিয়ে দুই শিশুকে সাজিয়ে দেয়। এরপর ইয়াবা সেবন করে মোস্তফা ও আজিজ রুমে উচ্চস্বরে ক্যাসেট প্লেয়ার বাজিয়ে দুই শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু এসময় শিশুরা প্রচণ্ড চিৎকার শুরু করলে ফারিয়াকে গলাটিপে হত্যা করে আজিজুল। এরপর নুশরাত জাহানকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মোস্তফা। ওয়ারী বিভাগের ডিসি আরো জানান, হত্যার পর আজিজুল পালিয়ে যায়। আর মোস্তফা দুই শিশুর মরদেহ নিয়ে বাসায় রেখে দেয়। মোস্তফার স্ত্রী সন্ধ্যার দিকে গার্মেন্টস থেকে বাসায় ফিরলে স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পান। মেঝেতে শিশুদের স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন। দুইজনের চিৎকার চেঁচামেচিতে আশেপাশের লোকজন টের পায় এবং পুলিশকে খবর দেয়। তবে ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকেই মোস্তফা পালিয়ে যায়।