আসসালামু আলাইকুম,,,,,
বন্ধুরা আল্লাহর রহমতে নিশ্চয়ই আপনারা ভাল আছেন 🙂
আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে লাখো কোটি শোকর আদায়ের সাথে নূর নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমে অসংখ্য দরূদ ও সালাম রেখে আজকে শুরু করতেছি “এসো দ্বীন শিখি, পর্ব – ০৩

এসো দ্বীন শিখি দ্বিতীয় পর্ব (পাঁচ দিকে ফিরিয়া ইস্তিন্জা করা নিষেধ) পড়ুন

আজকে আমরা এই পর্বে শিখবো ” দশ জিনিস দ্বারা ইস্তিন্জা করা নিষেধ ” অথবা কোন কোন জিনিস দ্বারা প্রস্রাব / পেশাব / পায়খানা / বাথরুম / টয়লেট করার পরে ঢিলা কুলুখ করা যায়না ” বা যেসব জিনিস দ্বারা ঢিলা কুলুখ ব্যাবহার করা জায়েজ নেই!

প্রথমেই আমরা সংক্ষেপে জেনে নিব যে দশ জিনিস দ্বারা প্রস্রাব / পেশাব / পায়খানা / বাথরুম / টয়লেট করার পরে ঢিলা কুলুখ হিসেবে ব্যবহার করা ইসলামি শরীয়াহ অনুযায়ী নিষিদ্ধ,,,, এরপর নিচে আবার প্রত্যেকটি বিষয়ের আলাদা ব্যাখ্যা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

দশ জিনিস দ্বারা ইস্তিন্জা করা নিষেধঃ

১/ হাড্ডি।
২/ কয়লা।
৩/ কাগজ।
৪/ কাচ।
৫/ গাছের কাঁচা পাতা।
৬/ খাদ্যদ্রব্য।
৭/ শুকনা গোবর।
৮/ জমজমের পানি।
৯/ ডান হাত দ্বারা।
১০/ ব্যবহারিত ঢিলা কুলুখ – ব্যবহৃত ঢিলা কুলুখ দ্বিতীয় বার ব্যবহার করা।

প্রিয় বন্ধুরা, আসুন এবার আমরা প্রত্যেকটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা জেনে নেই……..

যেসব কারণে এই দশ জিনিস দ্বারা ইস্তিন্জা করা ইসলামে নিষিদ্ধ

হাড্ডি – গোবর – ডান হাত দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

১/ হাড্ডি – হাড্ডি এটা গরু ছাগলের হোক বা যে কোন পশু পাখি প্রাণীর হোক না কেন, কোন অবস্থাতাতেই হাড্ডি কে ঢিলা কুলুখ হিসেবে ব্যবহার করা ইসলামি শরীয়াহ অনুযায়ী জায়েজ নেই।

২/ গোবর – গোবর বা মল এটা হালাল অথবা হারাম যেই ধরনের প্রানীর ই হোকনা কেন এবং যত বেশী ই শুকনো হোক না কে, এটা দিয়ে কোন অবস্থাতেই ইস্তিন্জা করা যাবেনা। কারন, এজাতীয় বস্তু শুকনো অথবা ভেজা সর্বাবস্থায়ই নাপাক থাকে। আর যেই জিনিস নিজে নাপাক তার দ্বারা কখনোই পবিত্রতা অর্জন হয়। উল্টো নাপাকির পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পায়। সুতরাং গোবর / মল বা এজাতীয় জিনিস দ্বারা ইস্তিন্জা / পেশাব / প্রস্রাব / পায়খানা / টয়লেট / বাথরুম করার পরে ঢিলা কুলুখ হিসেবে ব্যবহার করা ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী জায়েজ নেই।

৩/ ডান দ্বারা – ডান হাত দ্বারা কোন ভাবেই প্রাস্রাব / পায়খানার পর ঢিলা কুলুখ ব্যবহার করা / শৌচ কার্য করা উভয়ই নিষিদ্ধ। তবে অসুস্থ হলে বা অন্য কোন জরুরত থাকলে ডান হাত দ্বারাই শৌচকার্য করা যেতে পারে। তাছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে কখনোই ডান হাত দ্বারা ইস্তিন্জা করা যাবেনা। কারন, এতে আপনার হাতে ময়লা লেগে যেতে পারে এবং তা খাবারের সাথে পেটে চলে যেতে পারে। স্পষ্ট হাদীস শরীফে এসেছে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটা নিষেধকরে দিয়েছেন।

দলীলঃ

  • ইমাম বুখারী রাহ. বর্ণনা করেন, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রা. বলেন, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শৌচাগারে যাওয়ার সময় আমাকে তিনটি ঢিলা নিয়ে আসার নির্দেশ দিলেন। আমি দুইটি পাথর পেয়েছি। আরেকটা পাথর তালাশ করেছি, কিন্তু পাইনি। তাই আরেকটা গোবর-টুকরা নিয়ে এসেছি। তিনি পাথরদুটো নিয়েছেন, আর গোবর-টুকরাটা ফেলে দিয়েছেন এবং বলেছেন, গোবর নাপাক।

বর্ণনাটির আরবী পাঠ-
حَدّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ: – لَيْسَ أَبُو عُبَيْدَةَ ذَكَرَهُ – وَلَكِنْ عَبْدُ الرّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللّهِ يَقُولُ: أَتَى النّبِيّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ الغَائِطَ فَأَمَرَنِي أَنْ آتِيَهُ بِثَلاَثَةِ أَحْجَارٍ، فَوَجَدْتُ حَجَرَيْنِ، وَالتَمَسْتُ الثّالِثَ فَلَمْ أَجِدْهُ، فَأَخَذْتُ رَوْثَةً فَأَتَيْتُهُ بِهَا، فَأَخَذَ الحَجَرَيْنِ وَأَلْقَى الرّوْثَةَ وَقَالَ: هَذَا رِكْسٌ. -সহীহ বুখারী, হাদীস ১৫৬

  • আবু দাঊদ রাহ. বর্ণনা করেন, আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমি তোমাদের জন্য পিতার মত, আমি তোমাদের শিক্ষা দিই। তোমাদের কেউ শৌচাগারে গেলে কিবলার দিকে মুখ করে বা পিঠ করে বসবে না, ডান হাত দিয়ে ইস্তিঞ্জা করবে না।’ (আবু হুরায়রা রা. বলেন,) এবং তিনি আমাদেরকে তিন ঢিলা ব্যবহার করার নির্দেশ দিতেন এবং গোবর ও হাড্ডি ব্যবহার করতে নিষেধ করতেন।

বর্ণনাটির আরবী পাঠ-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ صَلى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ: إِنمَا أَنَا لَكُمْ بِمَنْزِلَةِ الْوَالِدِ، أُعَلِّمُكُمْ فَإِذَا أَتَى أَحَدُكُمُ الْغَائِطَ فَلَا يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ، وَلَا يَسْتَدْبِرْهَا وَلَا يَسْتَطِبْ بِيَمِينِهِ، وَكَانَ يَأْمُرُ بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ، وَيَنْهَى عَنِ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ -সুনানে আবু দাঊদ, হাদীস ৮

  • মুসলিম রাহ. বর্ণনা করেন, আব্দুর রহমান বিন ইয়াযীদ রাহ. বলেন, সালমান ফারসী রা.-কে বলা হল, তোমাদের নবী তোমাদের সবকিছু শিক্ষা দিয়েছেন; এমনকি শৌচাগার ব্যবহারের পদ্ধতিও! আব্দুর রহমান বিন ইয়াযীদ রাহ. বলেন, সালমান রা. বললেন, ‘হাঁ, অবশ্যই! তিনি আমাদেরকে নিষেধ করেছেন, আমরা যেন ডান হাত দ্বারা ইস্তিঞ্জা না করি, ইস্তিঞ্জার সময় তিন পাথরের কম ব্যবহার না করি এবং গোবর বা হাড্ডি দ্বারা ইস্তিঞ্জা না করি।’

বর্ণনাটির আরবী পাঠ-
عَنْ عَبْدِ الرّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ: قِيلَ لَهُ: قَدْ عَلّمَكُمْ نَبِيكُمْ كُلّ شَيْءٍ حَتى الْخِرَاءَةَ قَالَ: فَقَالَ: أَجَلْ لَقَدْ نَهَانَا أَنْ نَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ لِغَائِطٍ، أَوْ بَوْلٍ، أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِالْيَمِينِ، أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِأَقَلّ مِنْ ثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ، أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِرَجِيعٍ أَوْ بِعَظْمٍ. -সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৬২

কয়লা দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

৪/ কয়লা – কাঠ বা অন্য কোন বস্তুকে আগুনে পোড়ানোর পর যে কয়লা তৈরী হয়, এটা দিয়ে কোনভাবেই ইস্তিন্জা করা যাবেনা। কারন, কয়লার ভেতরে লুকায়িত আগুন থাকতে পারে এবং কয়লার মাঝে এক ধরনের পদার্থ থাকে যা ত্বকের ভেতরের অংশে লাগলে জ্বালাপোড়া যন্ত্রনা করে, সুতারং পায়খানা / প্রস্রাবের জায়গা – মলমূত্র ত্যাগের অঙ্গ মানব দেহের মধ্যে থেকে খুবই সেনসেটিভ একটা অংশ, এখানে কয়লার মত ক্ষারযুক্ত শক্ত গরম পদার্থ ব্যবহার করলে যে কোন ধরনের ইনফেকশন / মারাক্তক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সুতারং কয়লা বা এ জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ভাবেই ইস্তিন্জা করা যাবেনা। ইসলামী শরীয়তেও এটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কাগজ – টিস্যু পেপার দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

৫/ কাগজ – কাগজ দ্বারাও ইস্তিন্জা করা নিষিদ্ধ, বিশেষ করে যে সব কাগজে লেখা থাকে এটা ব্যবহার করা একদমই অনুচিৎ! আর কাগজে যদি আল্লাহ তায়ালা ও নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম অথবা ইসলামিক কোন কিছু লেখা বা অংকন করা থাকে তাহলে কোন অবস্থাতেই এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা যাবেনা, যদি কেউ করে সাথে সাথে তার ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে, সেই বেকুব বেঈমান মুর্তাদ বলে গণ্য হবে। অবশ্যই তাকে তওবা করে আবার ঈমান আনতে হবে।

তবে বর্তমানে কিছু আলেম ইস্তিন্জায় কাগজ ব্যবহার বৈধ মনে করেন, কিন্তু সেই কাগজ হতে হবে একদম খালি কাগজ, যাতে কোন কিছু অংকিত বা লেখা কিংবা ইসলামিক কোন কিছু থাকতে পারবেনা। এখনকার বাজারে আধুনি টিস্যু পেপার পাওয়া যায়, যেটা সরাসরি কাগজ নয়। প্রয়োজনে প্রস্রাব / পেশাব / পায়খানার পরে ঢিলা কুলুখের জন্য মাটি / পাথর বা এ জাতীয় বস্তু পাওয়া না গেলে টিস্যু পেপার ব্যবহার করাই হচ্ছে উত্তম।

আমাদের কে একটা জিনিস অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে টিস্যু পেপার ব্যবহারের পর পানি দ্বার ধৌত করতে যেন আমরা ভুলে না যাই। টিস্যু পেপার ব্যবহারের পর পানি ব্যবহার না করার দরুন, টিস্যুতে থাকা ক্যামিক্যাল পায়খানা ও প্রস্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন করে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হতে পারে এমনি ক্যান্সার হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়। আপনারা গুগলে সার্চ করে দেখতে পারেন পশ্চিমা বিশ্বের লোকদের অধিকাংশের ই পায়খানা / প্রস্রাবের রাস্তায় ক্যান্সার হওয়ার পেছনে দায়ী করা হয় ” পায়খানা / প্রস্রাবের পরে টিস্যু পেপার ব্যবহার করে পানি ব্যবহার না করাকে” সুতারং আমাদের কে কখনোই উচিৎ হবেনা পশ্চিমাদের এই নোংরা ঘৃনিত নীতির অনুস্বরন করা!

কাঁচ – কাচ দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

৬/ কাচ – কাচ এমন একটি পদার্থ যেটা কখনো পানি শোষণ করে না। এবং কাঁচের টুকরো বিষাক্ত একটি জিনিস, এটা খুব ধারালো। প্রস্রাব – পায়খানার পরে ঢিলা কুলুখ হিসেবে কাচ ব্যবহার করা খুবই বিপদ্ জনক! কাচ কখনো মল মূত্রের অবশিষ্ট অংশ শোধন করবেই না বরং দাড়ালো কাচ আপনার পায়খানা – প্রস্রাবের রাস্তায় মারাক্তক ক্ষত সৃষ্টি করার সম্ভাবনা আছে। ইসলামী শরীতেও কাচের মত ক্ষতিকর বস্তুকে ইস্তিন্জায় ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গাছের কাঁচা পাতা দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

৭/ গাছের কাঁচা পাতা – গাছের কাচাঁ পাতা দ্বারা কোন অবস্থাতেই ঢিলা কুলুখ ব্যবহার করা যাবেনা। কারন , জীবিত গাছ আল্লাহর জিকির করে এবং নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুরূদ পাঠ করে। তাছাড়া প্রত্যেকটি গাছের আলাদা তেজস্ক্রিয়তা আছে। জীবিত গাছের পাতায় সেই তেজস্ক্রিয়তা পূর্নমাত্রায় বিদ্যমান থাকে। গাছের কাচাঁ পাতা ব্যবহার করলে আপনার পায়খানা – প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া, চুলকানি সহ বিভিন্ন ক্ষত তৈরী হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক! ইসলামী শরীযাহ এটাকে নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।

খাদ্যদ্রব্য – খাবার জাতীয় বস্তু দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

৮/ খাদ্যদ্রব্য – খদ্যদ্রব্য বা খাবার জাতীয় বস্তু বলতে আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের জন্য যা হালাল করেছেন সেই সমস্ত বস্তু দ্বারা কোনভাবেই ইস্তিঞ্জা করা যাবেনা। খবার নষ্ট বা অপচয় করা মারাক্তক অপরাধ! ইসলাম আপনাকে কখনোই এ ধরনের মারাক্তক অন্যায় কাজের অনুমতি দেয় না। এটা সম্পূর্ন হারাম না জায়েজ।

জমজমের পানি – যমযমের পানি দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

৯/ জমজমের পানি – জমজমের পানি অনেক উত্তম এবং পবিত্র জিনিস। স্বয়ং নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনেক প্রসংশা ও ফজিলত বর্ননা করেছেন। এর দ্বারা ইস্তিন্জা করা চরম বেয়াদবী – ঘৃনিত অপরাধ! কোন অবস্থাতেই যমযমের পানি ইস্তিন্জার কাজে ব্যাবহার করা যাবে না। তবে কেউ যদি ভুলবশতঃ বা অন্য কোন কারনে এমন টা করে তাহলে পবিত্রতা অর্জন হয়ে যাবে ঠিকই কিন্তু তাকে তওবা করে নিতে হবে।

ব্যবহারিত ঢিলা কুলুখ – ব্যবহৃত ঢিলা দ্বারা ইস্তিন্জা করার বিধানঃ

১০/ ব্যবহারিত ঢিলা কুলুখ দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা – কোন বস্তুকে একবার ঢিলা কুলুখ হিসেবে ব্যবহার করলে সেটি নাপাক হয়ে যায়। আর নাপাক বস্তু দ্বারা কখনোই পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব নহে। ইসলামী ফিকহ মতে এটাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এসো দ্বীন শিখি চতুর্থ পর্ব ( ছয় জিনিস নিয়া ইস্তিন্জায় যাওয়া নিষেধ ) পড়ুন

“এসো দ্বীন শিখি সকল পর্ব একত্রে দেখতে, পড়তে ক্লিক করুন”